ইন্টারনেট কি? ইন্টারনেট কিভাবে কাজ করে?
বিজ্ঞানের অন্যতম বিষ্ময়কর একটি আবিষ্কার ইন্টারনেট। মানব সভ্যতা বিকাশে যার অবদান সত্যিই অভাবনীয়। ইন্টারনেট ছাড়া একদিন ভাবুন তো। নিশ্চয়ই আপনি এক ধরনের বিচ্ছিন্নতা অনুভব করবেন। ইন্টারনেট সম্পর্কে স্টিফেন হকিং বলে গিয়েছিলেন -
“একটি বৃহৎ মস্তিষ্কের নিউরনের মতো আমরা সবাই এখন ইন্টারনেটের মাধ্যমে যুক্ত”
বর্তমান বিশ্বে ইন্টারনেট ব্যবহার করে না এমন মানুষ খুজে পাওয়া খুবই কঠিন। কিন্তু আমরা কি জানি- কি এই ইন্টারনেট, কিভাবেই বা এটি কাজ করে আর কে ই বা এই ইন্টারনেটের মালিক? চলুন জেনে নেওয়া যাক।
নেটওয়ার্ক কি?
ইন্টারনেট কি তা জানার আগে আমাদের জানা দরকার যে, নেটওয়ার্ক কি? নেটওয়ার্ক হলো অনেকগুলো কম্পিউটারের সমষ্টি যেগুলো একে অপরের সাথে যুক্ত হয়ে আছে এবং তাদের মধ্যে তথ্য আদান প্রদান করতে সক্ষম। ইন্টারনেট এসেছে interconnected networks শব্দটি থেকে। যার অর্থ পরস্পরের সাথে যুক্ত থাকা।
ইন্টারনেট কী?
পুরো পৃথিবীতে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা ১০০মিলিয়নেরও অধিক কম্পিউটার একসাথে অপটিক ফাইবার ক্যাবলের সাহায্যে জুড়ে তৈরী করেছে একটি নেটওয়ার্ক। যদি আপনার মোবাইল ফোন বা কম্পিউটারে ইন্টারনেট চালু থাকে, তাহলে বিশ্বের কোটি মানুষের সাথে আপনি যুক্ত আছেন। আর এটাকেই বলা হয়ে থাকে ইন্টারনেট। ওয়েবসাইট ব্রাউজ থেকে শুরু করে, একে অপরের সাথে যোগাযোগ, ছবি ও ভিডিও ডাউনলোড করা, গান শোনাসহ চমৎকার সব অভাবনীয় কাজ করা সম্ভব হচ্ছে ইন্টারনেটের বদৌলতে।
ইন্টারনেট কীভাবে কাজ করে?
আমরা অনেকে হয়ত এটা ভাবতে পারি যে, ইন্টারনেট মহাকাশে থাকা স্যাটেলাইটের সাহায্যে কাজ করে থাকে। কিন্তু মোট ইন্টারনেটের ৯৯ শতাংশ চলে অপটিক্যাল ক্যাবলের মাধ্যমে অর্থাৎ তারের মাধ্যমে আর মাত্র ১ শতাংশ ইন্টারনেট চলে স্যাটেলাইটের মাধ্যমে।
আচ্ছা, আমি ব্যাপারটিকে সহজভাবে বুঝিয়ে দিচ্ছি। ধরুন আপনার বাসায় দুটি কম্পিউটার রয়েছে। এখন আপনাকে একটি কম্পিউটার থেকে অপর কম্পিউটারে কিছু ফাইল পাঠাতে হবে। এর জন্য আপনি কি করবেন? কম্পিউটার দুটিকে একে অপরের সাথে তারের সাহায্যে সংযুক্ত করবেন। তারপর আপনি খুব সহজেই একটি কম্পিউটার থেকে অপর একটি কম্পিউটারে তথ্য আদান প্রদান করতে পারেন। এই যে, আপনি এখানে যে, একটি কম্পিউটারকে কে অন্য একটি কম্পিউটারের সাথে তারের সাহায্যে জুড়ে দিলেন এবং এক কম্পিউটার থেকে অন্য কম্পিউটারে তথ্য পাঠালেন তারমানে আপনি একটি নেটওয়ার্ক তৈরী করলেন। এভাবে যদি আপনি আপনার বন্ধুদের কম্পিউটারগুলোকেও তারের সাহায্যে যুক্ত করেন তাহলে আপনি তাদের কাছে তথ্য প্রদান করতে পারবেন এবং তাদের তথ্য গ্রহণ করতেও পারবেন।
এ পর্যায়ে যদি আপনার বাসার কম্পিউটারটিকে আমেরিকায় থাকা আপনার বন্ধুর কম্পিউটারের সাথে যুক্ত করেন তাহলে আপনি তার সাথেও নেটওয়ার্ক স্থাপন করলেন। অর্থাৎ, এখন থেকে আপনারা একে অপরের মধ্যে তথ্য আদান প্রদান করতে পারবেন। পরস্পরের সাথে যুক্ত থেকে একে অপরের মধ্যে এই নেটওয়ার্ক স্থাপন করাকেই ইন্টারনেট বলে। আর এটাই ইন্টারনেট। ইন্টারনেটের আর কোন রহস্য নেই।
আমরা সবাই তো গুগল ব্যবহার করি, তাই না? আমরা কোন কিছু লিখে যদি গুগলে সার্চ দেই তাহলে গুগল তাদের কম্পিউটারে সংরক্ষিত থাকা লক্ষ লক্ষ তথ্য ফলাফল হিসেবে আপনার সামনে তুলে ধরে। অর্থাৎ এর মানে হচ্ছে আমাদের কম্পিউটারটি গুগলের সার্ভার কম্পিউটারের সাথে যুক্ত আছে। তাই যেকোন সময় তাদের সার্ভার থেকে তথ্য খুজে নিতে পারি এবং নিজেদের প্রয়োজনে তা ব্যবহার করতে পারি। একইভাবে ইউটিউব ফেসবুকসহ সকল ওয়েবসাইটগুলোর সার্ভারের সাথে আমাদের কম্পিউটারগুলো যুক্ত হয়ে আছে।
ফেসবুকে তো আমাদের প্রায় সবারই একটি করে একাউন্ট আছে। এই ফেসবুকে আমরা নেটওয়ার্কের মধ্যে আরেকটি নেটওয়ার্ক তৈরী করেছি। এখানে আমাদেরকে একে অপরের সাথে নিজেদের ভার্চুয়ালি যুক্ত করে রেখেছে। অর্থাৎ আমরা আমাদের একাউন্ট থেকে যা কিছু পোষ্ট করছি বা মেসেজ পাঠাচ্ছি তা ফেসবুকের সার্ভারে স্টোর হচ্ছে। আপনি এখানে সার্ভারকে কম্পিউটারও বলতে পারেন। কারণ প্রত্যেকটি বিশাল ডাটা সেন্টারই এক একটি কম্পিউটার বা ডেটা সার্ভার কিংবা ডেটা স্টোরেজ।
ধরুন আপনি আপনার বন্ধুকে ফেসবুকে Hi লিখে একটি মেসেজ পাঠালেন। সেন্ড করার পর এটি প্রথমে ফেসবুকের সার্ভারে স্টোর হবে। এবং আপনার বন্ধু যখন ফেসবুকে ঢুকে মেসেজটি দেখবে তখনো সে মেসেজটি ফেসবুকের সার্ভার থেকে তার কম্পিটার বা মোবাইলে আসবে বলেই দেখতে পাবে। ব্যাপারটি এতো দ্রুত ঘটে যে, এই প্রসেসটি সম্পর্কে কল্পনা করতেও আমাদের কয়েক লক্ষ গুণ বেশি সময় লাগে। আপনার কম্পিউটার থেকে আপনার বন্ধুর কম্পিউটার এবং মাঝখানে ফেসবুকের সার্ভার, এই পুরো ব্যাপারটিই সংযুক্ত থাকে একটি তার বা ক্যাবলের সাহায্যে। অর্থাৎ আপনি আপনার বন্ধুকে মেসেজ পাঠানোর পর সেটি তারের সাহায্যেই তার কাছে গিয়ে পৌছায়। একইভাবে কাজ করে ইউটিউব, ইন্সটাগ্রাম, হোয়াটস অ্যাপসহ পৃথিবীর সকল ধরনের ওয়েবসাইট।
উদাহরণস্বরূপ যদি ইউটিউবের কথা ধরি, যারা ইউটিউবে ভিডিও আপলোড করেন তারা আসলে তাদের ভিডিওগুলোকে ইউটিউবের সার্ভারে স্টোর করেন। আর দর্শকরা ইউটিউবের সার্ভার থেকে চাইলে যেকোন সময় তা দেখতে পারেন।
একটি ব্যাপার অনেকের কাছে এখনো ঘাপলা মনে হতে পারে।
বলতে পারেন, ভাই আপনার সব কথা মেনে নিলাম। যে আমরা সবাই ক্যাবলের সাহায্যে বিভিন্ন সার্ভার বা কম্পিউটারের সাথে যুক্ত আছি। আর এটাই ইন্টারনেট। তবে আমার কম্পিউটার, ল্যাপটপ বা মোবাইল তো গুগল, ফেসবুক কিংবা এরকম ওয়েবসাইটের সার্ভারগুলোর সাথে তারের সাহায্যে যুক্ত দেখছি না। তাহলে আমি কিভাবে ইন্টারনেটে সংযুক্ত হতে পেরেছি? এবং তাদের সার্ভার থেকে তথ্য এক্সেস করতে পারছি?
তাহলে বলছি, আমাদের মধ্যে যারা কম্পিউটারে ইন্টারনেটের জন্য ইথারনেট ক্যাবল ব্যবহার করে থাকি তারা তো সরাসরি রাউটার থেকে কম্পিউটারে ইন্টারনেট সংযোগ করি। তাই না?
অবিশ্বাস্য হলেও সত্য যে আপনার রাউটারটি অপটিক ফাইবার ক্যাবলের সাহায্যে পৃথিবীর কোটি কোটি ওয়েবসাইটের সার্ভারের সাথে যুক্ত আছে। এই ক্যাবলগুলোকে যেহেতু স্থলপথ, সাগর মহাসাগর পেরিয়ে অন্য একটি ওয়েবসাইটের সার্ভারের সাথে যুক্ত হতে হয়, তাই এই ক্যাবলগুলোকে সাবমেরিন ক্যাবলও বলা হয়ে থাকে। এই সাবমেরিন ক্যাবলগুলো কিভাবে পুরো বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে আর কিভাবেই বা এই ক্যাবল্গুলো কাজ করে থাকে সেটা জানতে আমাদের চ্যানেলে “সাবমেরিন ক্যাবল কী” নামে একটি ভিডিও আছে। সেটা আপনি অবশ্যই দেখে নেবেন। এখানে আর সাবমেরিন ক্যাবল নিয়ে বিস্তারিত ব্যাখ্যা করছি না।
চলুন আবার ফেরা যাক মূল প্রসঙ্গে, তাহলে যারা ইথারনেট ক্যাবলের সাথে ইন্টারনেটে যুক্ত আছেন তারা কি বলবেন, আপনার কম্পিউটারটারটি সরাসরি তারের সাহায্যে ইউটিউব গুগলসহ কোটি কোটি ওয়েবসাইটের সাথে যুক্ত নয়?
এবারে আসছি মোবাইল ট্যাব বা ল্যাপটপ ব্যবহারকারীদের মাথায় ঘুরপাক খেতে থাকা প্রশ্নের উত্তরটি নিয়ে। আপনারা বলতে পারেন, আমরা তো আর তারের সাথে যুক্ত করে ইন্টারনেট এক্সেস নিচ্ছি না। তাহলে আমরা কিভাবে ইন্টারনেটে যুক্ত হলাম। স্যাটেলাইটের মাধ্যমে?
আমি আগেই বলেছি যে, ইন্টারনেটের ৯৯ শতাংশই চলে অপটিক ফাইবার ক্যাবল বা সাবমেরিন ক্যাবলের সাহায্যে। এক্ষেত্রে মোবাইল, ট্যাব বা ল্যাপটপে ইন্টারনেট এক্সেসের জন্যেও তারের ব্যবহার করা হয়।
মোবাইল থেকে যদি আপনি কোন ওয়েবসাইটে যুক্ত হোন তাহলে সেটি থেকে তথ্য তারের সাহায্যেই কোন ওয়েবসাইটের সার্ভার থেকে প্রথমে সীম কোম্পানীর টাওয়ার বা ISPর রাউটারে আসে। এবার শুধুমাত্র রাউটার বা সীম কোম্পানীর টাওয়ার থেকেই আপনার ডিভাইস পর্যন্ত তথ্যটি ওয়্যারলেস মাধ্যমে এসে থাকে। তাও এর রেঞ্জ থাকে নির্দিষ্ট পরিমাণ দূরত্বে।
এবার নিশ্চয়ই বুঝতে পে্রে গিয়েছেন, আমাদের সকল ডিভাইসগুলো কিভাবে তারের সাহায্যে ইন্টারনেটে একে অপরের সাথে যুক্ত কিরে রেখেছে।
এখন জানা যাক সাবমেরিন ক্যাবলের সাহায্যে ইন্টারনেট কিভাবে আমাদের হাত পর্যন্ত এসে পৌছায়।
সাবমেরিন ক্যাবলের সাহায্যে ইন্টারনেটের যে তথ্য আমাদের কাছে এসে পৌছায় তা ৩ টি আলাদা আলাদা ধাপের মধ্য দিয়ে হয়ে থাকে। এই ধাপগুলোকে Tier বলা হয়। এই ধাপ ৩ টি হল Tier 1, Tier 2 এবং Tier 3।
Tier 1 কি?
Tier 1 হল সেই সমস্ত কোম্পানি যারা নিজেদের টাকায় সমস্ত পৃথিবীতে সমুদ্রের মধ্য দিয়ে ক্যাবল বা তার বিছিয়ে রেখেছে। ক্যাবলগুলো চুলের মত সরু কিন্তু এরা খুব দ্রুত যেমন ১০০ থেকে ২০০ জিবিপিএস পর্যন্ত ডেটা আদান প্রদান করতে পারে। বিভিন্ন দেশে আলাদা আলাদা Tier 1 কোম্পানি আছে যারা এক দেশ থেকে অন্য দেশে ক্যাবল বিছিয়ে সারা পৃথিবীকে যুক্ত করেছে। এভাবে একটি দেশের এক প্রান্তে অপটিক্যাল ফাইভার ক্যাবলের ল্যান্ডিং পয়েন্ট থাকে। বাংলাদেশের Tier 1 কোম্পানি হল Bangladesh Submarine Cable Company Limited। ল্যান্ডিং পয়েন্ট থেকে দেশকে বিভিন্ন জেলায় এবং জেলাকে বিভিন্ন উপজেলায় Tier 2 এবং Tier 3 এই ২ ধাপে ভাগ করে লোকালয়ে আপনার হাত পর্যন্ত পৌছে দেওয়া হয় ইন্টারনেট।
Tier 2 কি?
দেশের সমুদ্র তীরবর্তী অঞ্চলে Tier 1 কোম্পানি ফাইবার ক্যাবল গুলো নিয়ে আসে। এরপর সেই দেশের বিভিন্ন সিম কোম্পানি যেমন বাংলাদেশের গ্রামীনফোন, বাংলালিংক ইত্যাদি কোম্পানিগুলো Tier 1 কোম্পানির ক্যাবল থেকে সংযোগ নেয় এবং প্রতি জিবি হিসেবে একটি নির্দিষ্ট পরিমাণ টাকা Tier 1 কোম্পানিকে দিয়ে থাকে। তাহলে এই গ্রামীনফোন, বাংলালিংক ইত্যাদি কোম্পানিগুলো হল Tier 2 কোম্পানি।
Tier 3 কি?
এলাকা ভিত্তিক কিছু ISP বা Internet Service Provider আছে যাদেরকে Tier 3 কোম্পানি বলা হয়। এরা এলাকা ভিত্তিক সার্ভিস দিয়ে থাকে। এদের কানেকশনেকে ব্রডব্যান্ড কানেকশনও বলা হয়। এগুলোতে wifi নেটওয়ার্ক দ্বারা যুক্ত হতে হয়।
এভাবেই এই কোম্পানীগুলো ইন্টারনেটকে আমাদের হাত পর্যন্ত পৌছে দেয়।
আপনি যদি দেখতে চান কিভাবে আপনার কম্পিউটার থেকে একটি তথ্য অপটিক ক্যাবল বা সাবমেরিন ক্যাবলের সাহায্যে বিভিন্ন সার্ভার অতিক্রম করে আপনার কাঙ্ক্ষিত ওয়েবসাইটে পৌছায় তাহলে আপনার কাছে একটি সাধারণ পার্সোনাল কম্পিউটার থাকলেই হবে। এটার জন্য আপনার কম্পিউটারের CMD প্রোগ্রাম চালু করতে হবে। তারপর tracert লিখে একটি স্পেস দিয়ে আপনার কাঙ্ক্ষিত ওয়েবসাইটের লিংক দিতে হবে। তখন বিভিন্ন আইপি (IP) দেখা যাবে।
IP address গুলোতে থাকা বিভিন্ন সংখ্যা বিভিন্ন IP center কে নির্দেশ করে, যা বিশ্বের বিভিন্ন জায়গায় ছড়িয়ে ছিটিয়ে রয়েছে ৷ ধরুণ, 125.16.105.113 কোনো একটি সার্ভার বা ওয়েবসাইট এর IP address. আপনি যদি সেই ওয়েবসাইটের ঠিকানা টাইপ করেন তাহলে আপনার কম্পিউটার থেকে সিগনাল টিয়ার 2 কোম্পানীগুলোর কোনো একটার মাধ্যমে বাংলাদেশ প্রান্তে থাকা সাবমেরিন ক্যাবল ল্যান্ডিং স্টেশনে যাবে৷ সেখান থেকে 125 নম্বর IP সেন্টারে যাবে৷ তারপর 16 নম্বর স্টেশনে যাবে৷ তারপর এমন একটি স্টেশনে যাবে যার নাম্বার 105. এই নাম্বারগুলো একেকটি IP সেন্টারের অবস্থানকে নির্দিষ্ট করে৷ এই IP সেন্টারগুলোর প্রত্যেকটি স্টেশনের মতো কাজ করে। অর্থাৎ আপনার গন্তব্য যদি ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম হয় তাহলে এর মধ্যে থাকা সবগুলো স্টপেজই IP সেন্টার। যা একেকটি ওয়েবসাইটের সার্ভার। মানে আপনার নির্দেশকৃত ওয়েবসাইটের সার্ভার যদি সিঙ্গাপুরে হয় তাহলে এভাবে বিভিন্ন দেশ ঘুরে বিভিন্ন কম্পিউটার ঘুরে তা সিঙ্গাপুরের ওই সার্ভারে গিয়ে পৌছাবে। ব্যাপারটি খুব দ্রুত ঘটে বলে এ সম্পর্কে আমরা তেমন কিছুই বুঝতে পারি না।
কিন্তু বিশাল এই অন্তর্জাল বিশাল ইন্টারনেটের মালিক আসলে কে? এতো এতো তথ্যের উৎসই কোথায় আবার এর শেষই বা কোথায়? ইন্টারনেটের জন্য কেমন খরচ হয়ে থাকে? আরা কারা ই বা তৈরী করে এই ইন্টারনেট? এরকম আরো প্রশ্নের উত্তর দেওয়া এখনো বাকি। কিন্তু আজ আর নয় বাকি অংশ আলোচনা করা হবে ২য় পর্বে। ২য় পর্বে আমরা ইন্টারনেটের অজানা সকল বিষয়গুলো জানার মাধ্যমে আমাদের আলোচনা সম্পূর্ণ করবো। ধন্যবাদ।